কালিহাতীতে ১৮৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব: নিরাপত্তায় বিএনপি নেতাকর্মী, প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতা
গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বিশেষ প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনে উপজেলার ১৮৪টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতায় কাজ করেছেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা। পূজামণ্ডপগুলোতে দর্শনার্থী ও পূজারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত মাঠে থেকে কাজ করেন সংশ্লিষ্টরা।
কালিহাতী পৌর এলাকায় সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা আলী আকবর জব্বার, তাছির আহমেদ খান, লুৎফর রহমান লেলিন, পৌর বিএনপি নেতা সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ তৌহিদ ও হারুনুর রশিদ মেম্বারসহ স্থানীয় নেতারা পূজার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতায় ভূমিকা রাখেন।
উপজেলার বল্লা ইউনিয়নে নিরাপত্তা ও সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন বল্লা ইউনিয়ন বিএনপি ও বল্লা হাটবাজার কমিটির সভাপতি ফারুক আহমেদ রাজা, সাধারণ সম্পাদক নয়ন আকন্দ, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের খান, মৎস্যজীবী দল নেতা জাকারিয়া ও যুবদল নেতা মিথুনসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, তাঁতী দল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা, পূজারীদের সহযোগিতা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে তাঁরা দিনরাত পরিশ্রম করেন। কয়েকটি পূজামণ্ডপের পূজারীরাও জানান, বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে তাঁরা যথেষ্ট সহযোগিতা পেয়েছেন।
অন্যদিকে, উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নেও দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক ভিপি এবং কৃষক দল নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান শফিউর রহমান খান শাফির নেতৃত্বাধীন নেতাকর্মীরা। স্থানীয়ভাবে তাঁদের নেতৃত্বে দিনরাত কাজ করে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এদিকে, হিন্দু-বৈদ্য-খ্রিস্টান ঐক্য ফ্রন্ট ও জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগেও বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়। এ সময় উপজেলা শাখার সভাপতি মানিক সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সুদীপ দত্তসহ সংগঠন দুটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে পূজারীদের খোঁজখবর নেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পূজা উদ্যাপন নির্বিঘ্ন করতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে। দশমীর প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতা ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠন, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব উদ্যাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে