1. live@dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা : দৈনিক বিশ্ব বাংলা
  2. info@www.dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটে বালুবাহি ট্রাকে মিলল ৪৯০ বোতল ফেন্সিডিল, গ্রেপ্তার ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তার কাজ উদ্বোধন করলেন এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল বীরগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন চলতি মাসেই করোতোয়া নদীর খনন কাজ শুরু হচ্ছে ।। বগুড়ায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সিলেটের সুরাইঘাট সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ সিলেটের সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলি পাল্টা ফাঁকা গুলি বিজিবির তুরাগে রিক্সা ভ্যান অটোচালক দলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন দেবিদ্বারে ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বর্ণাঢ্য আয়োজনে সিএন বাংলার তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখপুর শিমুলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আশাশুনিতে জাইকার বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

আশাশুনিতে জাইকার বাঁধ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ।।পাউবো কর্মকর্তা-ঠিকাদার যোগসাজশে কোটি টাকা লোপাটের আশঙ্কা,ঝুঁকিতে উপকূলের বাঁধ

আশাশুনি প্রতিনিধি।।উপকূলীয় জনপদ আশাশুনিতে জাইকার অর্থায়নে টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের যোগসাজশে সিডিউলবহির্ভূত কাজ,নিম্নমানের সিসি ব্লক তৈরি,প্যাকেজ পরিবর্তন এবং সরকারি নথিতে ব্যাকডেট দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়ম করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে কোটি কোটি টাকা লোপাটের আশঙ্কার পাশাপাশি উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে যা দেখা গেল,২৭ আগস্ট সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাঁধ নির্মাণের জন্য সিসি ব্লক তৈরি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে,কাস্টিংয়ের ২৪ ঘণ্টা পর ফর্মা খোলার নিয়ম থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে মাত্র ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফর্মা খুলে ফেলা হচ্ছে। পরদিনই অপরিপক্ব ব্লক মাটি থেকে তুলে সারিবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিউরিং না করায় এসব ব্লকের গুণগত মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ব্লকের তারিখ নিয়ে। সরেজমিনে ২৭ আগস্ট তৈরি করা ব্লকে জুন ২০২৬-এর তারিখ ব্যবহার করতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি,প্রকৃত কাজের সময় গোপন করে আগের অর্থবছরের অগ্রগতি দেখানো এবং বিল উত্তোলনের উদ্দেশ্যেই এভাবে ব্যাকডেট দেওয়া হচ্ছে।
বন্ধ প্যাকেজের কাজ অন্যত্র!
আশাশুনি উপ-বিভাগের আওতাধীন জাইকার চারটি প্যাকেজের মধ্যে ২ নম্বর প্যাকেজের (হাজরাখালি) কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। অথচ ওই প্যাকেজের কাজের অংশ ৩ ও ৪ নম্বর প্যাকেজের (কোলা এলাকা) আওতায় অন্য ঠিকাদারের মাধ্যমে করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে সাইটে উপস্থিত কর্মচারীদের কাছে কাজ স্থানান্তরের লিখিত ‘অফিস অর্ডার’ কিংবা প্যাকেজ বাতিলের ‘ক্যানসেলেশন পেপার’ দেখতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেননি তারা। ফলে নিয়ম মেনে কাজ স্থানান্তর হয়েছে কি না,তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তদারকিতে নেই দায়িত্বশীলরা:প্রকল্পের এসব কাজের বিষয়ে পিডি আরিফুজ্জামানের নির্দেশনা এবং সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া,উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলাম ও শাখা কর্মকর্তা আব্দুল আলিমের সহায়তার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকল্প এলাকায় জাইকা বা পাউবোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কার্যকর তদারকি না থাকার অভিযোগও রয়েছে। ফলে ঠিকাদাররা নির্মাণকাজে অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর।

বাঁধ নিয়ে বড় শঙ্কা:স্থানীয়রা বলছেন,আশাশুনি একটি অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় এলাকা। বাঁধ নির্মাণে নিম্নমানের ব্লক ব্যবহার কিংবা নির্মাণকাজে অনিয়ম হলে জোয়ার, ঘূর্ণিঝড় বা অতিরিক্ত পানির চাপে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে মুহূর্তেই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে মানুষের জানমাল,ঘরবাড়ি ও কৃষি-সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

এ অবস্থায় প্রকল্পের নথিপত্র যাচাই,নির্মাণসামগ্রীর মান পরীক্ষা এবং পুরো কাজের কারিগরি অডিটসহ দ্রুত সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তাদের।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে পাউবোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।##

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট