1. live@dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা : দৈনিক বিশ্ব বাংলা
  2. info@www.dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা :
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাকর্মকর্তা সেজে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ।। মোংলায় গ্রেফতার ভুয়া মেজর পারভেজ ।। নীলফামারীতে ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যা কর্মকর্তাদের মত বিনিময় আগৈলঝাড়ায় প্রেসক্লাব সম্পাদক নাজমুল ও নির্বাহী সদস্য সাইফুলকে পদথেকে বহিস্কার মাধুরী ব্যানার্জীর লেখ অনুঃগল্প– নিমন্ত্রণ বিহীন অতিথি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু ববিতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চেয়ে উপাচার্যের কাছে ছাত্র অধিকার পরিষদের ৩ দফা নবীনগরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মেধাবৃত্তি প্রদান সাতক্ষীরায় পৃথক বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট দুই জনের মৃত্যু বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পুনঃ নিয়োগে উত্তাল গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসা অষ্টগ্রামে হাওড়ে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

সাতক্ষীরায় পাটের বাম্পার ফলন, ২’ শ কোটি টাকার বানিজ্যের আশা।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরায় পাটের বাম্পার ফলন,
২’শ কোটি টাকা বাণিজ্যের আশা

মোঃ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা ::
সাতক্ষীরায় চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং বড় ধরনের কোনো রোগবালাই না হওয়ায় এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। একই সাথে জেলার বিস্তীর্ণ বিল ও জলাশয়গুলোতে শুরু হয়েছে পাট পচানোর কর্মব্যস্ততা।
সাতক্ষীরা জেলা জুড়ে বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা এবং বিলের জমে থাকা পানিতে এখন সারিবদ্ধভাবে পাট পচাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। চলতি মৌসুমে সময়মতো বৃষ্টিপাতের ফলে খালের পাশাপাশি বিলের জলাশয়ে পর্যাপ্ত ও কাঙ্ক্ষিত পানি পাওয়ায় পাট পচাতে বা ‘জাক দেওয়া’র কাজে বেশ সুবিধা হচ্ছে।
রোদের আলোয় যেন জল জল করছে কৃষকের স্বপ্ন। মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের সঠিক দিকনির্দেশনায় এবার কাঙ্ক্ষিত উৎপাদনের আশা করছেন স্থানীয় পাট চাষিরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলায় ১১ হাজার ৬৭৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এখান থেকে ১ লাখ ৪২ হাজার বেল পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে পাটের বাজারদর ভালো থাকলে এবার জেলা থেকে উৎপাদিত পাটের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জেলাজুড়ে ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে পাট কাটা, পচানো ও আঁশ ছাড়ানোর প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। ভালো দাম আর বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকের ঘরে এখন সোনালি আঁশের নতুন উৎসবের আমেজ।
অন্য বছরগুলোতে এ সময়ে পাটে ছত্রাকজনিত গোড়াপচা রোগ, পাতা শুকিয়ে ঝরে পড়া কিংবা বিছা পোকার উপদ্রব দেখা গেলেও এবার তা একেবারেই কম। সময়মতো বৃষ্টিপাত এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সঠিক পরামর্শে গাছে রোগবালাই থাবা বসাতে পারেনি।
তালা উপজেলার সরুলিয়া গ্রামের হাবিবুল্লাহ বলেন, আগে পাটের নানা রোগে ওষুধ দিতে দিতেই হাঁপিয়ে উঠতাম। এবার মাশাল্লাহ আবাদ খুব ভালো হয়েছে। এক বিঘা জমিতে পাট আবাদ করতে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ হয়। আবহাওয়া এমন ভালো থাকলে আর বাজারে পাটের ভালো দাম পেলে প্রতি বিঘার পাট ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা যাবে।
সদর উপজেলার কৃষক মনিরুল ইসলাম বলেন, আমি এবার পাঁচ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। আবাদের শুরু থেকেই কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পরামর্শ পেয়েছি। কখন কোন ওষুধ দিতে হবে, কীভাবে পরিচর্যা করতে হবে সব আগেভাগেই জানতে পেরেছি। ফলে এবার আমার ক্ষেতে রোগবালাই কম হয়েছে, গাছও বেশ শক্ত-পুষ্ট হয়েছে।
একাধিক পাটচাষিরা বলেন, ভালো ফলনের পাশাপাশি আবাদের শুরুতেই সরকারের দেওয়া প্রণোদনা বীজ ও সার সময়মতো হাতে পাওয়ায় চাষের খরচ অনেক কমে এসেছে। ফলে এবার লাভের মুখ দেখার ব্যাপারে তারা বেশ আশাবাদী।
সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলার মাঠ পর্যায়ে আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাটের আবাদ শুরুর প্রথম দিন থেকেই গাছ কীভাবে নিরোগ ও সতেজ রাখা যায়, সে বিষয়ে কৃষকদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ঘোষিত পাটচাষিদের প্রণোদনা কর্মসূচি আমরা শতভাগ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছি। আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ভালো ফলন হবে এবং বাজারে ন্যায্যমূল্য পেয়ে কৃষকরা আর্থিকভাবে বেশ লাভবান হবেন।

তালায় কৃষি জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ব্যবসায়ী নিহত

মোঃ খলিলুর রহমান, সাতক্ষীরা ::
সাতক্ষীরার তালায় জমিতে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে চিত্তরঞ্জন আইচ (৪৮) নামের এক তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার গোপালপুর গ্রামের একটি বিলে ধান রোপণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত চিত্তরঞ্জন আইচ তালা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত কানাইলাল আইচের ছেলে। কৃষিকাজের পাশাপাশি তিনি তালা বাজারে কাপড়ের ব্যবসা পরিচালনা করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের প্রতিবেশী জানান, শনিবার সকালে চিত্তরঞ্জন নিজের জমিতে ধান রোপণের জন্য ৮-১০ জন শ্রমিক নিয়ে বাড়ির পাশের বিলে যান। বেলা ১২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাত সরাসরি চিত্তরঞ্জনের শরীরের ওপর পড়লে তাঁর শরীরে আগুন ধরে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
দুর্ঘটনার পর মাঠে কর্মরত অন্য কৃষকরা চিত্তরঞ্জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তালা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট