1. live@dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা : দৈনিক বিশ্ব বাংলা
  2. info@www.dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা :
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাকর্মকর্তা সেজে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ।। মোংলায় গ্রেফতার ভুয়া মেজর পারভেজ ।। নীলফামারীতে ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যা কর্মকর্তাদের মত বিনিময় আগৈলঝাড়ায় প্রেসক্লাব সম্পাদক নাজমুল ও নির্বাহী সদস্য সাইফুলকে পদথেকে বহিস্কার মাধুরী ব্যানার্জীর লেখ অনুঃগল্প– নিমন্ত্রণ বিহীন অতিথি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু ববিতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চেয়ে উপাচার্যের কাছে ছাত্র অধিকার পরিষদের ৩ দফা নবীনগরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মেধাবৃত্তি প্রদান সাতক্ষীরায় পৃথক বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট দুই জনের মৃত্যু বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পুনঃ নিয়োগে উত্তাল গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসা অষ্টগ্রামে হাওড়ে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

অষ্টগ্রামে মেঘনা নদীর উপর ১৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ ।। মালামাল নিয়ে ঠিকাদার উধাও। ।

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

অষ্ট
অষ্টগ্রামে মেঘনা নদীর উপর ১৭৮ কোটি টাকা ব্যায়ে সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ, মালামাল নিয়ে ঠিকাদার উধাও।

 

বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার মেঘনা নদীর উপর নির্মাণাধীন বাঙালপাড়া- চাতলপাড় এক কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এই সেতুর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭৮ কোটি টাকা। প্রকল্পের বড় একটি অংশ অসম্পূর্ণ রেখে উধাও হয়ে গেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে হাওর অঞ্চলের অবহেলিত বিপুল জনগোষ্ঠীর যোগাযোগের দীর্ঘ দিনের আকাঙ্ক্ষা এখন সীমাহীন ভোগান্তি ও হতাশায় রুপ নিয়েছে। কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙালপাড়া ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরে নোয়াগাঁও এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের দূর্গাপুর পর্যন্ত মেঘনা নদীর উপর এই সেতুটি নির্মিত হওয়ার কথা। হাওর অঞ্চলে বর্ষা ও শুষ্ক দুই রুপের কারনে সারাবছর সুগম যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা কঠিন। এই সেতুটি বাস্তবায়িত হলে অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকা , সিলেট এবং চট্টগ্রাম সহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা গুলোর সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগর দিগন্ত উন্মোচিত হবে। প্রসঙ্গত, সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পর ২০২৩ সালে ১৭৮ কোটি টাকার এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সেতুর কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন। প্রকল্পের কাজ শুরুর দিকে তৎকালীন ইটনা মিঠামইন অষ্টগ্ৰামের সংসদ সদস্য ও তৎকালীন নাসিরনগর এলাকার সংসদ সদস্য প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের উদ্বোধন করেন এবং দ্রুত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শুরুর দিকে দ্রুত গতিতে কাজ এগোলেও দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্নধার মানিক মিয়া আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর থেকেই স্থবিরতা নেমে আসে প্রকল্পটিতে এক পর্যায়ে কাজের অগ্ৰগতি থমকে যায়। এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের নিয়োজিত লোকজন তাদের সব যন্ত্রপাতি ও মালামাল গুটিয়ে রাতের আঁধারে গোপনে এলাকা ত্যাগ করেন। বর্তমানে নদীর বুকে সেতুর কয়েকটি অসম্পূর্ণ পিলার দাঁড়িয়ে রয়েছে, যা হাওর বাসীর স্বপ্ন ভঙ্গের স্বারক হয়ে আছে । বর্তমানে বর্ষার সময় উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিতে ইঞ্জিন চালিত ট্রলার কিংবা ছোট ছোট নৌকায় একমাত্র ভরসা।‌ শুকনো মৌসুমেও চরম দুর্ভোগ নিয়ে মেঘনা পাড়ি দিতে হয় , সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও সংকটাপন্ন রোগীদের।
সরজমিনে, বৃহস্পতিবার অষ্টগ্রামের বাঙ্গাল পাড়ার নোয়াগাঁও এলাকা গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোন লোকজন নেই।‌অধিকাংশ মালামাল ও নেই এ ব্যাপারে উপস্থিত একজন বীমাকর্মী প্রদীপ দাস জানান, সেতুটি নির্মাণ হলে হাওরের ব্যবসা বাণিজ্য , চিকিৎসা,ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তনে আশা ছিল। এই সেতু কেবল দুইটি জেলার সংযোগস্থল নয় , এটি পুরো হাওর বাসীর লালিত একটি স্বপ্ন। অপর স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী জানান, আমাদের এই সেতুটি নির্মাণ কাজ শেষ হলে যোগাযোগর ব্যবস্থার উন্নতি হবে। এলাকার উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহজে সারাদেশে রপ্তানি করা যাবে । ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের পাশাপাশি পর্যটন খাতে ও অভাবানীয় পরিবর্তন আসবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের মালিক মানিক মিয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।‌এ ব্যাপারে অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক এ প্রতিনিধি কে জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশন চুক্তিভঙ্গ করে কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই চলে গেছে । ঘটনাটি ইতিমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বর্তমানে অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার জন্য নতুন করে দরপত্র ( টেন্ডার) আহ্বানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রতই প্রসাশনিক সকল অনুমোদন সম্পন্ন করে পুনরায় সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ। এদিকে হাওর অঞ্চলের সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগীরা টেন্ডার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে সেতু নির্মাণের কাজ চালু করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

 

বার্তা প্রেরক: বিজয় কর রতন, মিটামইন, কিশোরগঞ্জ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট