1. live@dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা : দৈনিক বিশ্ব বাংলা
  2. info@www.dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা :
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাকর্মকর্তা সেজে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ।। মোংলায় গ্রেফতার ভুয়া মেজর পারভেজ ।। নীলফামারীতে ব্যাংকের নিরাপত্তা জোরদারে পুলিশ সুপারের সঙ্গে ব্যা কর্মকর্তাদের মত বিনিময় আগৈলঝাড়ায় প্রেসক্লাব সম্পাদক নাজমুল ও নির্বাহী সদস্য সাইফুলকে পদথেকে বহিস্কার মাধুরী ব্যানার্জীর লেখ অনুঃগল্প– নিমন্ত্রণ বিহীন অতিথি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবির উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু ববিতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চেয়ে উপাচার্যের কাছে ছাত্র অধিকার পরিষদের ৩ দফা নবীনগরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মেধাবৃত্তি প্রদান সাতক্ষীরায় পৃথক বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট দুই জনের মৃত্যু বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পুনঃ নিয়োগে উত্তাল গুলিশাখালী ফাজিল মাদ্রাসা অষ্টগ্রামে হাওড়ে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের হাওরান্চলের ভয়রা বধ্যভূমিতে ৫৬ বছর পর স্মৃতি ফলক সৃষ্টি নির্মাণের উদ্যোগ ।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের ভয়রা বধ্যভূমিতে ৫৬ বছর পর স্মৃতিফলক নির্মাণের উদ্যোগ।
বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুক্তিযুদ্ধের ৫৬ বছর পর কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের ঐতিহাসিক ভয়রা বধ্যভূমি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নে অবস্থিত দীর্ঘদিনের অরক্ষিত এই বধ্যভূমিতে স্মৃতিফলক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ সিরাজুল ইসলামের স্মৃতি ধরে রাখতে তাঁর নিজ গ্রাম ছিলনীর নাখেরাজে একটি পাঠাগার স্থাপনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ইটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাখন চন্দ্র সূত্রধর সরেজমিনে ভয়রা বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন। পরে তিনি শহীদ সিরাজুল ইসলাম বীর-বিক্রমের নিজ গ্রামও ঘুরে দেখেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, লেখক ও গবেষক রওশন আলী রশো, বীর মুক্তিযোদ্ধা নবী হোসেন তজু মিয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণদের বর্ণনা অনুযায়ী, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নৃশংসতার অন্যতম সাক্ষী ছিল ভয়রা এলাকা। নদীঘেঁষা ও নির্জন অবস্থানের কারণে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী মানুষদের ধরে এনে এখানে নির্যাতন ও হত্যার পর মরদেহ নদী, ডোবা কিংবা মাটিতে ফেলে রাখা হতো বলে জানান তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত থাকায় বধ্যভূমিটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেকটাই আড়ালে পড়ে আছে। সেখানে দৃশ্যমান কোনো স্মৃতিচিহ্ন না থাকায় নতুন প্রজন্মের অনেকেই স্থানটির ইতিহাস সম্পর্কে জানে না। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, স্মৃতিফলকের পাশাপাশি বধ্যভূমিতে শহীদ ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। অন্যদিকে, শহীদ সিরাজুল ইসলাম বীরবিক্রমের নামে পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগও স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। ১৯৭১ সালের ৮ আগস্ট সুনামগঞ্জের সাচনা বাজারে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে শহীদ হন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। প্রতিবছর ৮ আগস্ট তাঁর শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়। ইটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, প্রাথমিকভাবে অরক্ষিত বধ্যভূমিটিতে একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ এবং শহীদ সিরাজুল ইসলাম বীরবিক্রমের নামে তাঁর নিজ গ্রামে একটি পাঠাগার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মহল বলছেন, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে ভয়রা বধ্যভূমি শুধু একটি স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে নয়, বরং হাওরাঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।বার্তা প্রেরক:
বিজয় কর রতন,
মিটামইন, কিশোরগঞ্জ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট