
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির পূজামণ্ডপ মনিটরিং কমিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় ক্ষোভ ।
এম বাদল খন্দকার ( বিশেষ প্রতিনিধি)
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির বিশেষ মনিটরিং কমিটিতে দলটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠন ‘স্বেচ্ছাসেবক দল’-এর কোনো প্রতিনিধি বা দায়িত্বশীল নেতার নাম না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে অবদান রাখা সত্ত্বেও এমন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদক্ষেপে স্থান না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সামনের সারিতে উপস্থিত থেকে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেছে। অথচ জেলা বিএনপির উদ্যোগে গঠিত ১০ সদস্যের এই কমিটিতে তাদের মধ্য থেকে কাউকে রাখা হয়নি।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলিপ ক্ষোভ প্রকাশ করে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশে বলেন—
”ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু দুর্গা উৎসবের এই মনিটরিং কমিটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের কারও নাম রাখা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাকে যদি আপনাদের পছন্দ নাও হয়, তবে দলের অন্য নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে যাকে আপনাদের পছন্দ হয়, তাঁকেই অন্তত দুটি পদে এই কমিটিতে যুক্ত করার জন্য জোর আবেদন জানাচ্ছি। মনে রাখতে হবে, সময়ের কাছে কিন্তু মানুষ বড় অসহায়, বিশেষ করে রাজনীতিবিদরা।”
উৎসবে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৃণমূলের অভিজ্ঞ ও ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করা জরুরি বলে মনে করছেন রাজপথের আন্দোলনকারীরা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নির্দেশে জেলা বিএনপির উদ্যোগে ১০ সদস্যের পূজামণ্ডপ মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। এতে আহ্বায়ক হিসেবে জসিম উদ্দিন রিপন এবং সদস্য সচিব হিসেবে আলী আজমের নাম অনুমোদন দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরে এই কমিটি অনুমোদিত হলেও স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো নাম অন্তর্ভুক্ত না থাকায় এ অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।