1. live@dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা : দৈনিক বিশ্ব বাংলা
  2. info@www.dainikbishwbangla.online : দৈনিক বিশ্ব বাংলা :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকার বিশিষ্ট শিল্পপতি প্রদ্যুৎ তালুকদারকে সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ দারুন্নাজাতে বার্ষিক মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন কালিহাতিতে ১৮৪ টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব নিরাপত্তায় বিএনপি নেতাকর্মী আদমদীঘিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ নরসিংদীতে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে জিহাদের মৃত্যু আশাশুনিতে জামায়াতের উদ্যোগে লিডারশিপ ট্রেনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটায় দেবীর কপালে সিঁদুর দিতে গিয়ে নববধূর মৃত্যু এসআরবি’র অভিযানে বিদেশি মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ ।। আটক ৩ কালীগঞ্জে ভূমিক কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে বীরত্বপূর্ণ জমিতে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের অভি

যশোরে কৃত্রিম সার সংকটে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

যশোরে কৃত্রিম সার সংকটের কারণে কৃষকদের চরম ভোগান্তি ও চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা
যশোর প্রতিনিধি:
সারা দেশে চলছে সার সংকট রাস্তায় নেমেছে কৃষক, পাচ্ছে না কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে সার। সেখানে যশোরে একশ্রেণী অসাধু সার ব্যবসায়ীরা সার মজুদে ব্যাস্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরব ভূমিকা নিয়ে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। আমনের ভরা মৌসুমে যশোরে চাহিদার তুলনায় সার বরাদ্দ কম ও কৃত্রিম সংকটের কারণে কৃষকদের চরম ভোগান্তি ও চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রতি বস্তা সারে কয়েকশ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে কৃষকদের অভিযোগ রয়েছে। ডিলারদের কাছে গেলেও সহজে সার মিলছে না। সরকারি হিসাব ও গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যশোরে ইউরিয়া, টিএসপি এবং ডিএপি সারের বরাদ্দ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আমন চাষের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পর্যাপ্ত সার না পেয়ে কৃষকরা জমিতে সময়মতো সার প্রয়োগ করতে পারছেন না, যার ফলে সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সংকট মোকাবিলায় ও অবৈধ মজুতদারির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ বিভিন্ন উপজেলা যেমন চৌগাছা ও মণিরামপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সার জব্দ ও জরিমানা করেছে। কৃষি বিভাগ কাগজে-কলমে বড় ধরনের সংকট না থাকার কথা বললেও বাস্তবে মাঠপর্যায়ে সংকটের তীব্রতা স্পষ্ট। যশোর জেলার সদরসহ কেশবপুর, মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, ঝিকরগাছা, চৌগাছা, শার্শা উপজেলার ডিলার ও সব-ডিলাররা গোডাউনে পর্যাপ্ত পরিমাণে সার মজুদ করে রেখেছে। কৃত্রিম সার সংকট দেখিয়ে বেশি মুনাফার আশায় এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে।

মনিরামপুর খেদাপাড়া চারভাই এন্টারপ্রাইজ’
এর স্বত্বাধিকারী রাজু আহমেদের প্রতিষ্ঠানে গত শনিবার দুপুরে ৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার, পাঠানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয় চালান ও প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার মনিরামপুর খেদাপাড়া চার ভাই এন্টারপ্রাইজে প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, ৪ ভাই এন্টারপ্রাইজের প্রতিষ্ঠানে আগে থেকেই প্রায় ৩০০ বস্তা সার মজুদ ছিল। এর মধ্যে নেহালপুর ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের নামে আরও ২০ টন, অর্থাৎ ৪০০ বস্তা বিসিআইসি ইউরিয়া সার এনে মজুদ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
একটি প্রতিষ্ঠানের নামে উত্তোলন করা সার অন্য প্রতিষ্ঠানে কী প্রক্রিয়ায় পাঠানো হয়েছে, এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় চালান ও কাগজপত্র ছিল কি না এবং সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে ৪ ভাই এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী রাজু আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মনিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার জুনায়েদ সাহেব ও বিসিআইসি র উপ-সহকারী কর্মকর্তা দর্পন তাকে সারগুলো নিতে বলেছিলেন।
রাজু আহমেদ বলেন, “আমার এলাকায় ব্যবসায়ী হিসেবে ভালো পরিচিতি ও সুনাম রয়েছে। ব্যবসায়িক প্রয়োজন বিবেচনা করেই আমি সারগুলো গ্রহণ করেছি।”তিনি আরও বলেন, “সার নেওয়ার সময় আমি দুই দিন পর টাকা পরিশোধ করার কথা জানিয়েছিলাম। এরপরও সংশ্লিষ্টরা আমাকে সার দিয়েছেন।মনিরামপুর বি সি আইসির উপ-সহকারী কর্মকর্তা দর্পনের পরামর্শ অনুযায়ী এবং তাদের দেওয়া সার হিসেবেই আমি তা গ্রহণ করেছি। এখানে আমার পক্ষ থেকে কোনো অনিয়ম করার উদ্দেশ্য ছিল না।”

যশোর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা জানান, কোনো এলাকায় বা কোনো ব্যবসায়ীর সারের সংকট দেখা দিলে প্রয়োজন অনুযায়ী অফিস বা সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে কিছু পরিমাণ সার নিয়ে এক ইউনিয়ন থেকে আরেক ইউনিয়নে ডিলারকে সহযোগিতা করতে পারে। করার সুযোগ থাকতে পারে। তাও সেটার পরিমাণ ১০ থেকে ২০ বস্তা বা ২৫ বস্তা হতে পারে, তারমানে ২০ টন অথবা ৪০০ বস্তা এরকম কোন বিষয় আমার জানা নাই। তিনি আরও বলেন, “কোনো এলাকায় বা ব্যবসায়ীর সারের সংকট হলে সে কিছু পরিমাণ সার অফিস থেকে বা ডিলারের কাছ থেকে নিয়ে বিক্রি করতে পারেন। তবে একসঙ্গে ৪০০ বস্তা সার নেওয়ার কোন সুযোগ নেই।

এদিকে বিসিআইসি সার গুদাম, যশোর অফিসের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, কোনো এলাকায় সারের জরুরি প্রয়োজন হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমিত পরিমাণে, যেমন ১০ থেকে ২০ বস্তা সার নেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। তবে একসঙ্গে ৪০০ বস্তা সার নেওয়ার বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়।
####
মোঃ শফিকুল ইসলাম
যশোর।০১৭১১-৪৩২৭১২
২১.০৯.২৬

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট